আমি ও আমার অফিস দালাল /দূর্নীতি মুক্ত

আত্রাই(নওগাঁ) প্রতিনিধি ঃ- “আমি ও আমার অফিস দালাল /দূর্নীতি মুক্ত” মনের মধ্যে সৎ সাহস না থাকলে এবং নিজে দূর্নীতি মুক্ত সৎ কর্মকর্তা না হলে এভাবে কেউ বলতে পারেন না, যে টা নওগাঁ জেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১,আত্রাই সাব জোনাল অফিস এজিএম ফিরোজ জামান শুধু বলেননি করেও দেখাচ্ছেন। অফিসের বিভিন্ন জায়গায় টাঙ্গিয়ে দিয়েছেন আমি ও আমার অফিস দালাল/দূর্নীতি মুক্ত সাইন বোর্ডটি, শুধুমাত্র সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে ক্রান্ত হয়নি, অনেক দালাল ও তদবিরবাজ মুক্ত করেছেন নওগাঁ জেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১,আত্রাই সাব জোনাল অফিসকে। বিদ্যুৎ সংযোগ,বিদ্যুতের খুঁটি, মিটার সংযোগ সহ কোন কাজে গুনতে হয় না ঘুষ। এ ছাড়া বাসা/ বাড়ি , ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কৃষি সেচসহ বিদ্যুতের সংযোগে ও মিটার পাইতে গুনতে হয়না অপেক্ষার প্রহর। মনোযোগ সহকারে অভিযোগ শোনার পর সাথে সাথে নিজে ঘটনার স্থল পরিদর্শন করেই ব্যবস্থা নিচ্ছেন অথবা অফিসের কমকর্তা- কর্মচারীদের নির্দেশ দিচ্ছেন। প্রতিনিয়ত মনিটরিং করছেন উনার অধীনে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের । এছাড়াও নির্দেশনা দিয়েছেন অফিসে সেবা প্রার্থীদের কোনরুপ ঘুষ ছাড়া সেবা দিতে,অন্যথায় অভিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
৮ আগস্ট দুপুর নওগাঁ জেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির-১, আত্রাই সাব জোন অফিসের ভেতরে ঢুকতেই দেখা গেল লাইনে সাঁড়িবদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। যেন মনে হচ্ছে কোন রেলওয়ে ষ্টেশনে ট্রেনের টিকিট নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। অপর দিকে অফিসের ২য় তলায় এজিএম ফিরোজ জামান রুমে ঢুকতেই দেখা গেল এজিএম ফিরোজ জামান তার টেবিলের সন্মুখে সবে থাকা বিভিন্ন এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকদের বিভিন্ন অভিযোগ খুব মনোযোগ সহকারে শুনছেন এবং সংশ্লিষ্টকাগজের ফাইল দেখছেন, উনার টেবিলের সন্মুখে বসা ১০/১২ জন লোক,যার মধ্যে একজন বয়স্ক মহিলা ও দুইজন বৃদ্ধ সহ গ্রাম-গঞ্জের সাদা মনের মানুষরা তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরছেন ২০/৩০ মিনিটের মধ্যে সমস্যা গুলোর সমাধান করছেন তিনি নিজেই।
২০১৭ সালের ২৪ জুৃলাই নওগাঁ জেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১,আত্রাই সাব জোনাল অফিস এজিএম যোগদান করেন ফিরোজ জামান, যোগদানের পর থেকেই তিনি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছেন আত্রাই উপজেলাবাসীকে ঘুষ ও দূর্নীতি মুক্ত পরিবেশে সব ধরনের সেবা প্রদান করতে, সেটা করতে গিয়ে অনেকের বিরাগভাজন হয়েছেন কিন্তু দমে যাননি।এ জিএম ফিরোজ জামান রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার শিবজাইট গ্রামের মোঃ ইসাহাক ও ছকিনা বেগমের সন্তান।শিক্ষা জীবনঃ- নর্থ সাউথ ইউনিভাসিটি (ইবাইস–) ঢাকা থেকে এম এ।বিবাহীত জীবনঃ- এক সন্তানের জনক ।নওগাঁ জেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১,আত্রাই সাব জোনাল অফিস এজিএম ফিরোজ জামান এর যোগদানের পূর্বে গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৩৫৭৫০ যোগদানের পর থেকে আত্রাই ০৮টি ইউনিয়নে ৪৭ হাজার ৮শ’ ৮০জন নতুন গ্রাহকে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয় এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ গতি বৃদ্ধি লক্ষে একটি সাব-ষ্টেশন তৈরি সহ বিদ্যুতের সরবরাহ এই ধরনের উদ্যেগকে স্বাগত জানিয়েছেন আত্রাই উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা আকতারুজ্জামান আকতার বলেন, আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি তাই দেশের কেউ কোন ধরনের ভাল কাজ করলে গর্বে আমাদের বুক ভরে যায়,এজিএম ফিরোজ জামান আত্রাইয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সাব-জোনাল অফিসে যোগদানের পর থেকেই ঘুষ ও দূর্নীতি মুক্ত থাকার পাশা পাশি নিষ্ঠার মাধ্যমে আমাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।, আমি বিশ^াস করি এই ধরনের কর্মকান্ডের মাধ্যমেই বিশে^র বুকে মাথা উঁচু করে পরিচিতি পাবে আমাদের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ। আত্রাই মডেল প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক একেএম কামাল উদ্দিন টগর বলেন,এজিএম ফিরোজ জামান এর কর্মকান্ড সত্যি প্রশংসনীয়,তিনি ঘুষ ও দূর্নীতি মুক্ত থাকার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে চলেছেন আত্রাই পল্লী বিদ্যুৎ সাব-জোনাল অফিসকে দুর্নীতি মুক্ত করতে,তিনি যোগদানের পর থেকে অফিস/ তার দপ্তরকে দালাল ও তদবীরবাজ মুক্ত করতে সফল হয়েছেন, এসব করতে গিয়ে তিনি অনেক অদৃশ্য বাধার স্বীকার হয়েছেন।,অনেকের বিরাগভাজন হয়েছেন কিন্তু দমে যাননী ফলে সেবা গ্রহীতারা কোনরুপ হয়রানী ছাড়া দ্রুত সেবা পাচ্ছে। দূর্নীতি বিরুদ্ধে এ কার্যক্রম ইতিমধ্যেই সর্ব মহলে প্রশংসিত হয়েছে।
আমি ও আমার আফিস দূর্নীতিমুক্ত সাইনবোর্ডটির বিষয়ে জানতে চাইলে এজিএম ফিরোজ জামান বলেন, “আমি প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর” আমাদেরসকলের উচিৎ ঘুষ ও দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে অঙ্গিকারবদ্ধ হওয়া,পজেটিভ দৃষ্টি ভঙ্গী দিয়ে মন থেকে চাইলে সবই সম্ভব, আমার কাজ সেবা প্রদান করা সেটা করতে গিয়ে কেন আমাকে ঘুষ নিতে হবে? কেন দূর্নীতি করতে হবে? আমাকে সরকার বেতন দেয়, নানা বিধ সুবিধা দিয়েছে এরপরও কেন দূর্নীতি করব? আমি দূর্নীতি করবনা, মানব না,সইবনা,প্রশ্রয় দেবনা এটাই আমার প্রতিদিনের কর্মপন্থা, যতদিন আছি এভাবেই থাকব।#