গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চান ট্রাম্প

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ স্বাধীন সংবাদমাধ্যম। এ কারণে গণমাধ্যমকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় দেশটিতে। বিশ্বের যেসব দেশ মার্কিন গণতন্ত্র অনুসরণ করে তাদের গণমাধ্যমের স্বাধীনতাও একই কারণে গুরুত্ব দিতে হয়। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বরাবরই গণমাধ্যমের প্রতি বিরূপ ভাব দেখান। আর এবার ট্রাম্পের সমর্থকরাও চাইছেন গণমাধ্যম বন্ধ করার ক্ষমতা থাকা উচিত প্রেসিডেন্টের।মার্কিন প্রেসিডেন্ট গণমাধ্যমকে শত্রু হিসেবেই উপস্থাপন করেন বিভিন্ন বক্তব্যে। শুধু তাই নয়, এবার ট্রাম্পের ভক্তরাও গণমাধ্যমকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করছেন। ফলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ বা স্বাধীনতা হরণ করার উদ্যোগই এবার বাস্তবায়নের কাছাকাছি পর্যায়ে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রে।সাম্প্রতিক এক জরিপ দেখা গেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান সমর্থকদের প্রায় ৪৮ শতাংশেরই ধারণা হয়েছে সংবাদমাধ্যম মার্কিন জনগণের শত্রু।শুধু শত্রু হিসেবেই ধারণা করে বসে নেই রিপাবলিকানদের ৪৩ শতাংশ। তাদের বিশ্বাস মার্কিন প্রেসিডেন্টের উচিত বাজে আচরণের সংবাদমাধ্যমকে বন্ধ করার ক্ষমতা থাকা।বিশ্লেষকরা বলছেন, গণমাধ্যমের সঙ্গে এক যুদ্ধ লিপ্ত হয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যা আগে দেখা যায়নি। এবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের নানা কেলেঙ্কারির খবরও গণমাধ্যমে বেশ প্রকাশিত হয়েছে। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ট্রাম্পের গণমাধ্যম বিরোধীতা।তবে অতীতে সাধারণ জনগণকে গণমাধ্যমের প্রতি বিরুপ হতে দেখা যায়নি। এবার অবশ্য ট্রাম্পের সমর্থকরাও গণমাধ্যমের প্রতি বিরুপ হয়েছেন। এ প্রবণতায় অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট