পুনরায় হারল রিয়াল

গোল করতে যেন ভুলে গেছেন রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়রা। আক্রমণে তাদের ব্যর্থতার মাশুল দিতে হচ্ছে স্পেনের সফলতম দলটিকে। বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া হুলেন লোপেতেগির দল এবার হেরে গেছে আলাভেসের কাছে।

লা লিগায় শনিবারের ম্যাচটি ১-০ গোলে জিতে আলাভেস। ম্যাচের শেষ সময়ে জয়সূচক গোলটি করেন মানু গার্সিয়া। ২০০০ সালের পর প্রথমবারের মতো রিয়ালের বিপক্ষে জিতল আলাভেস।

সব ধরনের প্রতিযোগিতায় এনিয়ে টানা চার ম্যাচে জয়শূন্য থাকলো রিয়াল। এই ম্যাচগুলোয় গোল করতেও ব্যর্থ লোপেতেগির শিষ্যরা।

লিগে সেভিয়ার মাঠে ৩-০ গোলে হেরে রিয়ালের দুঃসময়ের শুরু। পরে দলটি ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্র করে আতলেতিকো মাদ্রিদের সঙ্গে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে সিএসকেএ মস্কোর কাছে ১-০ গোলে হেরে যায় ইউরোপের সফলতম দলটি।

প্রতিপক্ষের মাঠে শুরুটা ভালো ছিল রিয়ালের। চোট কাটিয়ে ফেরা গ্যারেথ বেলের উপস্থিতিতে উজ্জীবিত আক্রমণ ভাগ কাঁপিয়ে দিয়েছিল স্বাগতিকদের রক্ষণকে। শুরুর আক্রমণের ঝাপটা সামলে ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নেয় আলাভেস।

প্রথমার্ধের বাকি সময়টায় রিয়ালকে বেশ চাপে রাখে দলটি। কিন্তু থিবো কোর্তোয়াকে ফাঁকি দিয়ে জালের দেখা পায়নি তারা।

দ্বিতীয়ার্ধে ৫৫তম মিনিটে আচমকা দূরপাল্লার শটে কোর্তোয়ার পরীক্ষা নেন রুবেন দুরাতে। ৭৬তম মিনিটে রিয়াল গোলরক্ষককে একা পেয়েও কোনাকুনি শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি জনি।

প্রতিপক্ষের রক্ষণে গিয়ে খেই হারানো রিয়াল দূরপাল্লার শটে ঠিকানা খোঁজার চেষ্টা করে। তবে বেল, লুকা মদ্রিচদের শট লক্ষ্যে থেকেছে কমই। খুব একটা পরীক্ষায় পড়তে হয়নি আলাভেসের গোলরক্ষককে।

২০০১ সালের পর এই প্রথম আলাভাসের জালে বল পাঠাতে ব্যর্থ হল রিয়াল।

ম্যাচ গড়াচ্ছিল ড্রয়ের দিকে। দ্বিতীয়ার্ধের বদলি গার্সিয়া যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে গড়ে দেন ব্যবধান। কর্নার থেকে রুবেন সোবরিনোর হেড কোর্তোয়া এক হাতে ফেরানোর চেষ্টা করলে পেয়ে যান গার্সিয়া। তার হেড সের্হিও রামোসকে এড়িয়ে জালে জড়ায়।

সেই গোল শোধের কোনো সময় ছিল না রিয়ালের। গোলের বাঁশির পরপরই ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজান রেফারি।

৮ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আছে রিয়াল। সমান পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে উঠে এসেছে আলাভেস। এক ম্যাচ কম খেলা বার্সেলোনা গোল পার্থক্যে এগিয়ে রয়েছে শীর্ষে।