সামরিক মহড়ায় শত্রুর ড্রোন বিধ্বংসী অস্ত্রের পরীক্ষা করল ইরান

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সামরিক বাহিনী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সর্বশেষ অস্ত্র ও সরঞ্জাম নিয়ে বার্ষিক মহড়া শুরু করেছে। গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই মহড়ার মাধ্যমে শত্রুদের নানা ধরনের হুমকির মোকাবেলায় ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতা যাচাই করা হবে।

জানা গেছে, মহড়ায় যৌথভাবে অংশ নিচ্ছে খাতামুল আম্বিয়া বিমান প্রতিরক্ষা ঘাঁটি, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অ্যারোস্পেস ডিভিশন এবং ইরানের বিমান বাহিনী। ইরানের সামরিক বাহিনীর উপ সমন্বয়কারী কমান্ডার হাবিবুল্লাহ সাইয়্যারি জানান, এবারের মহড়া চলবে দেশের উত্তর, পশ্চিম, পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে এবং মহড়ার আওতায় থাকবে পাঁচ লাখ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে।

তিনি আরও জানান, মহড়ায় যত রকমের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের পরীক্ষা করা হবে তার সবই ইরানি বিশেষজ্ঞদের তৈরি। ইরান যে ধরনের হুমকি অনুভব করে সে অনুযায়ী অস্ত্র তৈরি ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে, মহড়ার প্রথম দিনে ইরান সফলতার সঙ্গে খোরদাদ-৩ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরীক্ষা চালিয়েছে। ইরানের আইআরজিসি এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে। এই ব্যবস্থা থেকে একসঙ্গে চারটি লক্ষ্যবস্তুকে বাঁধা দিতে পারে এবং আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়তে পারে।

অন্যদিক, মহড়ার প্রথম দিনে সেরাজ বিমান বিধ্বংসী কামানের পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এই কামানের সঙ্গে রাডার ও নতুন ধরনের অপটিক্যাল টার্গেট অ্যাকুয়ারমেন্ট সিস্টেম রয়েছে যা দিয়ে শত্রুর ড্রোন ও উড়ন্ত ছোট ছোট লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা সম্ভব।