দুর্যোগজাতীয়রাজনীতিলিড নিউজ

জি কে শামীম সরকারি সব টেন্ডার পায় কী করে: পূর্তমন্ত্রী

সরকারের প্রায় সব ঠিকাদারি কাজ জি কে শামীম কিভাবে পেয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

পূর্তমন্ত্রী বলেন, জি কে শামীমের ঠিকাদারি কাজ পাওয়ার বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তিনি বলেন, জি কে শামীমের এসব দরপত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে পূর্তমন্ত্রণায়লের কেউ যদি জড়িত থাকে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে। এক্ষেত্রে কারো দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না।

শুক্রবার নিকেতনের নিজ কার্যালয়ে অবৈধ অস্ত্রসহ আটক হন যুবলীগ নেতা জিকে শামীম। এ সময় র‌্যাবের অভিযানে তার কার্যালয় থেকে বিপুল পরিমাণে টাকা ও এফডিআর উদ্ধার করা হয়।

অভিযান শেষে বিকালেই প্রেস ব্রিফিং করে র‌্যাবের নির্বাহী মেজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, অভিযানে শামীমের কার্যালয় থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ নগদ ১ কোটি ৮০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৬৫ কোটি ৮০ লাখ টাকার এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিট রেট) জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে তার মায়ের নামে ১৪০ কোটি টাকা ও ২৫ কোটি টাকা তার নামে। এ ছাড়াও ৭টি শটগান, বিদেশি মুদ্রা ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জি কে শামীমকে টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আটক করা হয়েছে। জি কে শামীম সরকারি টেন্ডারগুলো বাগিয়ে আনতেন। এ জন্য মোটা অংকের ঘুষ দিতেন তিনি।

গ্রেফতারের পর জিকে শামীমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শনিবার রাতে ঢাকা মহানগর হাকিম মাহমুদা আক্তার এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে তার সাত দেহরক্ষীর প্রত্যেককে অস্ত্র মামলায় চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

রিমান্ডপ্রাপ্ত জিকে শামীমের দেহরক্ষীরা হলেন দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম। এর আগে সন্ধ্যায় গুলশান থানা থেকে সাত দেহরক্ষীসহ জিকে শামীমকে আদালতে হাজির করা হয়। অস্ত্র ও মাদক আইনের দুই মামলায় সাতদিন করে শামীমকে মোট ১৪ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম।

আরো দেখুন

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button