রংপুর বিভাগসারাদেশ

ঘোড়াঘাট নুনদহের খেয়াঘাট অপেশাদার ব্যক্তির নামে ইজারা প্রদান জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ

ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর) :  ঘোড়াঘাট নুনদহের খেয়াঘাট অপেশাদার ব্যক্তির নামে ইজারা প্রদান করায় জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করেছে পেশাদার পাটনী মাল্লা মতিলাল পাটনী।

ঘোড়াঘাট উপজেলার শ্যামপুর এলাকার মৃত তপশীরাম পাটনীর পুত্র শ্রী মতিলাল পাটনীর  , জেলা প্রশাসক  বরাবর অভিযোগে জনা গেছে,তিনি জানান,আমি একজন পেশাদার পাটনী মাল্লা।

দিনাজপুর জেলার অন্তগত ঘোড়াঘাট উপজেরার ৩ নং সিংড়া ইউপি করতোয়া নুনদহ খেয়াঘাট ইজারা বহিরভূত ভাবে পেশাদার পাটনী মাল্লাগনকে প্রদান না করে অপেশাদার ব্যাক্তিকে ইজারা প্রদান করা হয়েছে।বিষয়টি তদন্ত পূর্বক্ষ ব্যবস্থা গ্রহনের আবেদন জানিয়েছি ।

তিনি তার লিখিত আবেদনে জানান, ঘোড়াঘাট উপজেলার ৩নং সিংড়া ইউপি মধ্য করতোয়া নদীর উপর নুনদহ খেয়াঘাট  রয়েছে । উক্ত ঘাট দিয়ে এই জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার সাথে রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার যোগযোগ এবং জনসাধারনের যাতাযাত রয়েছে। আমি এবং আমার পূর্ব পুরুষেরা  স্বাধীনতা যুদ্ধের পর থেকে দীর্ঘকাল ধারাবাহিক ভাবে আমরা শান্তিপূর্ন  ভাবে এই এলাকার জন্য সাধারন সরকারী বিধি অনুযায়ী পারিশ্রমিক নিবে খেয়া দেওয়ার কাজ করে দিয়ে আসছি । দীর্ঘ ৫০ বছর অধিক সময় আমি এবং আমার পরিবার এই ঘাটে পাটনী ও মাল্লা

আগামী বাংলা বছরের বৈশাখ মাস থেকে এক বছরের জন্য ওই নুনদহ ঘাট ইজারা দেওয়ার জন্য ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ রাফিউল আলম স্বাক্ষরিত ১১৪নং স্মারকের গত ২ ফেব্রুয়ারী  নুনদহ খেয়াঘাট ইজারা প্রদানের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন । আমি দরখাস্তকারী নির্ধারিত  তারিখের মধে ১৫০০০০০ (এক লক্ষ পঁঞ্চাশ হাজার টাকা) টাকা ব্যাংক ড্রাফের মাধ্যমে  ৪৫৯০০০ ( চার লক্ষ উনষাট হাজার) টাকা ডাকে  দরপত্র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দপ্তরে দাখিল করি।

সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান  মন্ডল তার হস্তগত ব্যক্তি ্অপেশাদার পাটনী উপজেলার ভেলামারী গ্রামের আকালু বর্মনের পুত্র শরৎ চন্দ্রকে(ভোটল) মিথ্যা বাবে ঘাট পেশাদার  পাটনী বা মাল্লা সনদ দেন। ওই সনদের মাধ্যমে  মাধ্যমে পাটনী সাজিয়ে ৫ লক্ষ ২৮ হাজার ৬০০ টাকা ডাক দিয়ে দরপত্র দাখিল করে।ওই খেয়াঘাটে আগামী ১৪২৯ সনে ইজারার জন্য সরকারি মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩ লক্ষ বিরানববই হাজার ৭৩০ টাকা। সরকারি মুল্যের চেয়ে ্অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে দরপত্র দাখল করি।

স্থানীয়রা বলছে, সরকারের বিধি অনুযায়ী মতিলাল পাটনী ঘাটের ইজারাদার পান। মতিলাল ও তার পরিবারের এই পেশা ছাড়া ্অন্য কোন পেশা নাই। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মন্ডল কৌশলে নিজের আয়ত্বে নেয়ার জন্য ওই ঘাটে ইজারাদার সাজিয়ে ভূয়া  পাটনী সনদ দিয়ে অধিক মল্যে ঘাটটি ডেকে নেওয়া হয়েছে। ঘাট না পেলে তার অপরনীয় ক্ষতি হবে । ওই ঘাট দিয়ে যাত্রীদের পারাপার অধিক  মূল্য দিতে হবে । মতিলাল পাটনী বিষয়টি  তদন্ত তদন্ত পূর্বক প্রকৃত পাটনী মাল্লাদারকে  ইজারা দেওয়া ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন।

আরো দেখুন

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button