সারাদেশ

জাল পড়েনি চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায়

প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের জাল পড়েনি চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায়। ফলে বুধবার ভোর থেকে জেলার উত্তরের ষাটনল থেকে দক্ষিণে চরভৈরবী পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার নদীর কোথাও মাছ ধরতে দেখা যায়নি।

এমন পরিস্থিতিতে কোনো জেলে যেনো নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে নেমে মাছ ধরতে না পারে তার জন্য চাঁদপুরের মতলব উত্তর, দক্ষিণ, সদর ও হাইমচর উপজেলায় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে মৎস্য বিভাগ, নৌ-পুলিশ, জেলা পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে নদীতে টহল জোরদার করা হয়েছে। বুধবার সকালে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামানের নেতৃত্বে একটি দল পদ্মা-মেঘনা বেষ্টিত রাজরাজেশ্বর ও তার আশপাশে টহল দেন।

তবে সকাল ১০টা পর্যন্ত নদীতে কাউকে মাছ ধরতে দেখেননি তারা। ফলে ভোর থেকে জেলার উত্তরের ষাটনল থেকে দক্ষিণে চরভৈরবী পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার নদীর কোথাও মাছ ধরতে দেখা যায়নি। তবে বুধবার সকালে দক্ষিণের সাগর থেকে চাঁদপুরে ফেরার পথে ২টি ট্রলার জেলার হাইমচরের মেঘনা নদী থেকে আটক করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম জানান, আটক এই ২টি ট্রলারে প্রায় আড়াই শ পিস ইলিশ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় ট্রলারের মাঝিমাল্লারা নিজদের ভুল স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে আর্থিক জরিমানা আদায় করা হয়েছে। পরে মুচলেকা নিয়ে ট্রলার ২টি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, চাঁদপুরে মা ইলিশ রক্ষা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যসচিব, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুল বাকী মা ইলিশ রক্ষার এই কর্মসূচি সফল করতে জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।

অন্যদিকে, চাঁদপুরের বিশাল নদী এলাকায় মা ইলিশ রক্ষার ২২ দিনের কর্মসূচি সফল করতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে নিয়োজিত করা হয়েছে। তবে এই ক্ষেত্রে নদীতে টহল, যাতায়তের জন্য আনুসাঙ্গিক আর্থিক কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। এমন তথ্য জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট সরকারি একজন কর্মকর্তা।

আরো দেখুন

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button