রাজশাহী বিভাগসারাদেশ

টিএমএসএস স্বাস্থ্য সেক্টরের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে টিএমএসএস স্বাস্থ্য সেক্টরের উদ্যোগ দিনব্যাপি কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়।
সকাল ৮টায় টিএমএসএস সকল সেক্টর পরিচালিত চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করা হয়। সকাল ৯টায় টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ লেকচার গ্যালারী-১ তে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ শাহজাহান আলী সরকার। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ এ.কে.এম আহসান হাবীব। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিএমএসএস এর উপ-নির্বাহী পরিচালক-২ রোটা. ডাঃ মোঃ মতিউর রহমান।
আরও উপস্থিত ছিলেন টিএমএসএস স্বাস্থ্য সেক্টরের চিকিৎসা শিক্ষা ডোমেইন-১ ডোমেইন প্রধান অধ্যাপক ডাঃ অনুপ রহমান চৌধুরী, চিকিৎসা শিক্ষা ডোমেইন-২ ডোমেইন প্রধান ডাঃ মোঃ আখতারুজ্জামান, টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ্ কমিউনিটি হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ডাঃ মোঃ জামিলুর রহমান এবং টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ্ কমিউনিটি হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ও মুজিববর্ষ উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম, টিএমএসএস মেডিকেল ইনষ্টিটিউট অব রিসার্চ এন্ড টেকনোলজী ও মহাস্থান মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুলের অধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ আহমেদ শরীফ, টিএমটিআই এবং টিসিপিআই এর অধ্যক্ষ ডাঃ সুধির চন্দ্র বনিক এবং টিএমএসএস নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ রাবেয়া বেগম প্রমূখ। এছাড়াও আলোচনা সভায় আরও অংশগ্রহণ করে টিএমএসএস স্বাস্থ্য সেক্টরের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং কর্মকর্তাগণ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট অতিপ্রত্যুষ ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে ভোর রাতে ক্ষমতালোভী নরপিশাচ কুচক্রী মহল কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেল এবং পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এ জঘন্যতম হত্যাকাÐ থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত এবং তার ছেলে আরিফ ও সুকান্তবাবু, মেয়ে বেবি, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত¡া স্ত্রী আরজু মণি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।
আলোচনা সভায় সঞ্চালনায় দায়িত্বে ছিলেন টিএমআইআরটি’র প্রসাশনিক বর্মকর্তা মোঃ রুকুজ্জামান সাজু। আলোচনা শেষে বক্তারা ১৫ আগষ্ট স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন।

আরো দেখুন

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button