রাজশাহী বিভাগসারাদেশ

বগুড়ায় মহাসড়ক প্রশস্ত প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণে নকশা ত্রুটিতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে মালিকগণ

স্টাফ রিপোর্টারঃ মহাসড়ক প্রশস্তকরণে বগুড়ায় মাটিডালী বিমান মোড় হতে বাঘোপাড়া পর্যন্ত ভূমি অধিগ্রহণে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা সাসেক-২ এর তৈরী নকশা ত্রুটির কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন ভূমি মালিকগণ।
জানা যায় উক্ত এলাকায় মহাসড়ক প্রশস্তকরণে মালিকানাধীন জমিকে ভ্রমাত্মকভাবে ১৯৫২ সালের অধিগ্রহণ গণ্যপূর্বক প্রকল্পনকশা এবং ভ্রমাত্বকভাবে ৮ ধারা নোটিশে মালিকের জমির পরিমাণ কম উল্লেখ থাকায় অবকাঠামো এবং জমির মূল্যের ক্ষতিপূরণের পরিমাণ অতি নগণ্য হওয়ায় জমির মালিক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্থরা চরম অসন্তুষ্ট, ফলে প্রকল্প অগ্রগতি দারুণ ভাবে ব্যাহত হবে এবং জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ মাইকিং করা স্বত্ত্বেও জমির মালিকগণ জমির দখল ছেড়ে দিতে পারছেন না। তাই জেলা প্রশাসন কর্তৃক এই জটিল বিষয়গুলি নিয়ে জরুরী ভাবে গণশুনানী অনুষ্ঠান অথবা আপত্তি ভিত্তিক শুনানী অনুষ্ঠান করে যথার্থ ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের দাবী ক্ষতিগ্রস্থ জনগণের। অনুসন্ধানে জানা যায়, ঠেঙ্গামারা গ্রামের কেন্দ্রীয় ২০০ শত বছর পূর্বের জামে মসজিদ এবং ঈদগাহ্ সিএস খতিয়ান ঘোষিত পীরপাল ওয়াক্ফ এস্টেট যাহা দুই দাগে ২১ শতক জমি ১৯৫২ সালে এক ইঞ্চি জমিও অধিগ্রহন হয় নাই। উক্ত পবিত্র মসজিদকে বাড়ী এবং প্রাচীর ঘেরা ঈদগাহ কে ভিটা হিসেবে উল্লেখ করায় মুসুল্লীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে প্রচন্ড আঘাত করা হয়েছে। অত্র ৭ শতক এবং ১৪ শতক জমি সিএস খতিয়ান মোতাবেক, ১৯৬২ সালের এমআরআর এবং হালে আরএস খতিয়ান, পরিমাণ জমির খারিজ এবং হাল নাগাদ খাজনা পরিশোধ আছে। উক্ত দুই প্লটের ২১ শতক ঐতিহাসিক ভূখন্ড ওয়াক্ফ প্রশাসন অফিসে ১৬০০১ ইসি নম্বরভুক্ত আছে। নিয়মিত ওয়াক্ফ চাঁদা পরিশোধ আছে। মোতওয়াল্লীসহ এলাকাবাসী এই সমস্যা সমাধানে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দ্রুত সমাধান কামনা করেছে।

আরো দেখুন

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button