খেলা

চাপের মুখে তরুণদের অবদানে মুগ্ধ তামিম

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যাট হাতে যখন সিনিয়ররা ব্যর্থ্য তখন দায়িত্ব নিলেন তরুণরা। শুরুতে লিটন দাস ও শেষে আফিফ-মিরাজদের অবদানে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন খোদ অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

শনিবার (১৭ জুলাই) জিম্বাবুয়ে থেকে পাঠানো ভিডিও বার্তায় মুগ্ধতা লুকাননি বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক।

‘একটা পর্যায়ে খুব বিপদে ছিলাম। একটা কথা সব সময় বলি, জুনিয়রদের পারফর্ম করতে হবে। এটা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। আমরাও বলেছি। কাল এক্ষেত্রে আদর্শ ম্যাচ ছিল। যেখানে লিটন বেশ দায়িত্ব নিয়ে একটা ইনিংস খেলেছে।’

‘আর সবসময় ১০০ বা ৫০ নিয়ে কথা বলা খুব সহজ। কিন্তু আমার কাছে ছোট ছোট অবদান খুব গুরুত্বপূর্ণ। আফিফের ইনিংসটি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে ওই ইনিংসটা না খেললে ২৭০ (২৭৭) রান করতে পারতাম না। ৩০-৪০ রান কম হতো। মিরাজের ২২-২৩ রানের ইনিংসও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। রিয়াদ ভাই আউট হওয়ার পর আরেকটি উইকেট পড়ে গেলে বিপদ হতো। আমার কাছে মনে হয় এই ছোট ছোট অবদানের কৃতিত্ব দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। যেটা আমি পছন্দ করি’-আরও যোগ করেন তামিম।

প্রথম ম্যাচের ১০ ওভার না পেরোতেই সাজঘরে ফেরেন তামিম ও সাকিব আল হাসান। স্কোরবোর্ডে ৭৬ রান জমা না হতেই নেই ৪ উইকেট। দলের বিপর্যয়ে হাল ধরেন লিটন। পাশে পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন ও মিরাজদের। তাদের কথাই উঠে এসেছে অধিনায়কের কণ্ঠে।

দ্রুত চার উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য একটা লম্বা জুটির প্রয়োজন ছিল। পঞ্চম উইকেটে লিটন-মাহমুদউল্লাহ ৯৩ রানের জুটি গড়ে সেই দায়িত্ব ভালোভাবেই পালন করেন। এরপর আফিফের সঙ্গে ৪০ রানের জুটির পর লিটন ফেরেন সাজঘরে। ততক্ষণে চালকের আসনে বাংলাদেশ। এরপর আফিফ-মিরাজ ৫৮ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোর নিয়ে ২৮০ এর কাছে।

ব্যাট হাতে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার পরও শেষ পর্যন্ত লড়াকু স্কোর দেয় বাংলাদেশ এবং ১৫৫ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। তাইতো অধিনায়ক তরুণদের অবদান দেখছেন মুগ্ধ নয়নে; গুরুত্বসহকারে।

আরো দেখুন

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button