বরিশাল বিভাগসারাদেশ

পর্যটক শূন্য কুয়াকাটা!

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার সৈকতে এখন সুনশান নিরবতা। কোন পর্যটক নেই এখানে। পবিত্র রমজান মাসের শুরুর দিন থেকেই এমন অবস্থা সূর্যদোয় আর সূর্যাস্তের বেলাভূমি পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার। পর্যটক শূন্য দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সৈকতে এখন প্রকৃতি খেলা করছে আপন মহিমায়। পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে প্রায় সকল খাবার হোটেল। পর্যটকদের জন্য বিনোদনের সমস্ত আয়োজন এখন মুখ থুবড়ে পরে আছে। আবাসিক হোটেল মোটেল রয়েছে পর্যটক শূন্য। কুয়াকাটার দর্শনীয় স্থান গুলো রয়েছে জনশূন্য। এ যেন এক অচেনা কুয়াকাটা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে পূর্ব আর পশ্চিম দিকের দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সৈকত একবারে জনশূন্য। স্থানীয় ২/১ জন লোক ছাড়া কিছুই চোখে পরেনি। সন্ধ্যার পরে সৈকতে নামলেই গা শিউরে ওঠে। সৈকতের সকল ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে টুরিস্ট্য পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালণ করে যাচ্ছেন। অপরদিকে আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে অনেক ব্যবসায়ী তাদের ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠানকে সাজাচ্ছেন নতুন ভাবে।
গঙ্গামতি ট্যুরিজম’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক লুৎফুল হাসান রানা বলেন, রমজানের শুরু থেকে পর্যটক শূন্য পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা। তাই সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে গঙ্গামতি সৈকত পর্যন্ত এখন অচেনা লাগে। ব্যবসা বানিজ্য একেবারে বন্ধ রয়েছে। সমুদ্রবাড়ি রিসোর্ট’র পরিচালক জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, পর্যটক না থাকায় কোন হোটেল মোটেলে বুকিং নেই। এই সুযোগে ঈদের গেষ্ট বরন করতে হোটেল মোটেল ধুয়ে মুছে রেডি করছি। সৈকতের ঝিনুক ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন বলেন, কোন পর্যটক নেই। তাই দোকান বন্ধ করে রেখেছি। এখন সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়।
কুয়াকাটা ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট এসোসিয়েশন কুটুম’র সাধারন সম্পাদক হোসাইন আমির বলেন, এবছর রমজানের মত এত খারাপ অবস্থা আমাদের অতীতের কোন রমজানেই হয়নি। কোন পর্যটক নেই। প্রতিবছর পহেলা বৈশাখে অনেক পর্যটক থাকে। এবছরের চেহারা সম্পূর্ন ভিন্ন। তবে ঈদের পর পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম ঘটবে এমটাই আশা তার।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পুলিশ পরিদর্শন মো.হাসনাইন পারভেজ বলেন, রমজানের কারনে এখন পর্যটন নেই। তবে ট্যুরিস্ট পুলিশের টিম সৈকতে তাদের ডিউটি চালিয়ে যাচ্ছে।

আরো দেখুন

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button