নিয়োগে অনিয়ম খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্টদের দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির ১৪২ জন কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম খতিয়ে দেখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, সাবেক প্রক্টর, বিভিন্ন অনুষদের ডিনসহ ৭০ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পর্যায়ক্রমে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।
সোমবার (১৯ আগস্ট) দুদক কার্যালয়ে ১২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
এর আগে গেল ২৩ জুলাই দুদকের চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয়-১ এর তদন্তকারী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি চবি রেজিস্ট্রার বরাবর পাঠানো হয়। যেখানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও বিধিবহির্ভূত নিয়োগের অভিযোগ আনা হয়।
দুদক কর্তৃক পাঠানো তালিকায় দেখা যায়, প্রথমেই নাম রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কে এম নুর আহমদের। এছাড়া তালিকায় আরও নাম রয়েছে তৎকালীন নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সাবেক প্রক্টর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী এবং সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদের। এতে আরও নাম রয়েছে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ এফ এম আওরঙ্গজেব, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শফিউল ইসলাম, পরিবহন দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. রাশেদ উন নবী চৌধুরী, শাহ আমানত হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গোলাম কবির এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত হিসাব নিয়ামক ফরিদুল আলম।
এ ব্যাপারে দুদক কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম জানান, সোমবার থেকে চবির ৭০ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পর্যায়ক্রমে ডাকা হচ্ছে। যা আগামী ২৬ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।



