আন্তর্জাতিক

আফগানিস্তানে বিমান হামলায় নিহত ৩০

আফগানিস্তানে বিমান হামলায় কমপক্ষে ৩০ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরো ৪০ জন হতাহত হয়েছে। দেশটির পূর্বপ্রান্তের নঙ্গর প্রদেশে একটি পাইনক্ষেত লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে জানায়, পূর্ব আফগানিস্তানের মার্কিন বিমান বাহিনী সমর্থিত আফগান নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক এ হামলা চালানো হয়।

সংবাদের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিদের একটি আস্তানা ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে এ হামলা করা হয়। দুর্ঘটনাক্রমে এটি নঙ্গর প্রদেশের ওয়াজির ট্যাংগি এলাকায় একটি পাইন ক্ষেতে কৃষকদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

আফগানিস্তানের পূর্ব নাঙ্গারহার প্রদেশের কাউন্সিলর সোহরাব কাদেরী বলেন, দুর্ঘটনাক্রমে এক ড্রোন হামলায় ৩০ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে কাবুলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বরাতে জানানো হয়, মার্কিন ও আফগান বাহিনী থেকে আইএস জঙ্গিগোষ্ঠীর একটি আস্তানা ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়। তবে দুর্ঘটনাক্রমে ভুল স্থানে এ হামলা চালানো হয়। তবে মন্ত্রণালয় থেকে এ হামলায় আহত-নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে একইদিনে আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি হাসপাতালের কাছে গাড়িবোমা হামলায় ২০ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে ৯৫ জন।

অপর এ হামলা প্রসঙ্গে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রাণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, তালেবান জঙ্গি গোষ্ঠী দেশটির জাতীয় সুরক্ষা অধিদফতরের একটি ঘাটিতে টার্গেট করে বোমা হামলা করতে চেয়েছিল। বিস্ফোরকবাহী গাড়িটি এ ভবন থকে দূরে একটি হাসপাতালের সামনে অবস্থান করছিল।

আফগানিস্তানের চলমান এ সংকট মোকাবিলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আফগানিস্তানের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে যাওয়ার প্রস্তাব রাখেন। কিন্তু শান্তি চুক্তির জন্য ৮ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি আশরাফ গণি ও তালেবান নেতাদের সঙ্গে ম্যারিল্যান্ডের ডেভিড শিবিরের বৈঠকে স্থগিত করেন ট্রাম্প। তার কারণ হিসেবে ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় বলেন, আফগানিস্তান এ চুক্তি করার যোগ্যতা রাখে না।

শান্তি আলোচনার ঠিক দুইদিন আগে কাবুলে এক বোমা হামলায় ১২ জন নিহত হয়। এরই জের ধরে ট্রাম্প বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ শান্তি আলোচনার আগেও যদি তারা যুদ্ধ বিরতিতে রাজি না হয়ে নিরপরাধ ১২ জন মানুষকে হত্যা করতে পারে, তবে তারা এ অর্থবহ শান্তি আলোচনা করার মতো কোনো যোগ্যতা রাখে না।

আফগানিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের এ শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই দেশটিতে হামলার ঘটনা ঘটছে।

আরো দেখুন

সম্পর্কিত প্রবন্ধ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button